
নিজস্ব প্রতিনিধি: আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে দ্বিতীয় দিনের মতো অগ্রিম ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। বুধবার (৪ মার্চ) সকাল ৮টা থেকে ১৪ মার্চের ঈদযাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু হয়। টিকিট ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই পশ্চিমাঞ্চলগামী ট্রেনের টিকিটের জন্য যাত্রীদের ব্যাপক চাপ লক্ষ্য করা যায়।
রেলওয়ে সূত্র জানায়, সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ৮টা পর্যন্ত মাত্র আধা ঘণ্টায় রেলের ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপে প্রায় ২০ লাখ হিট পড়ে। এতে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে কিছু সময় ধীরগতি দেখা দিলেও যাত্রীরা আগ্রহ নিয়ে টিকিট সংগ্রহে চেষ্টা চালান।
রেলের তথ্য অনুযায়ী, ১৪ মার্চ ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া ট্রেনগুলোতে মোট আসন রয়েছে ২৮ হাজার ৯২৬টি। এর মধ্যে পশ্চিমাঞ্চলের ১৭টি ট্রেনে রয়েছে ১২ হাজার ৭৩২টি আসন এবং পূর্বাঞ্চলের ২৩টি ট্রেনে ১৬ হাজার ১৯৪টি আসন।
সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত ঢাকা থেকে পশ্চিমাঞ্চলগামী ১১ হাজার ২৮৫টি আসনের টিকিট বিক্রি হয়ে যায়। পরে সকাল ১০টার দিকে রেল সেবা অ্যাপসে দেখা যায়, ঢাকা-রাজশাহী, ঢাকা-পঞ্চগড়, ঢাকা-চিলাহাটি, ঢাকা-বেনাপোল, ঢাকা-দিনাজপুর, ঢাকা-রংপুর ও ঢাকা-কুড়িগ্রাম রুটের বেশ কয়েকটি ট্রেনে আর কোনো আসন অবশিষ্ট নেই। তবে ঢাকা-খুলনা রুটের কয়েকটি ট্রেনে তখনও সীমিতসংখ্যক আসন পাওয়া যাচ্ছিল।
রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে অনলাইনে শতভাগ টিকিট বিক্রির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে এবং যাত্রীদের নির্ধারিত সময় অনুযায়ী টিকিট সংগ্রহের আহ্বান জানানো হয়েছে।
এদিকে পূর্বাঞ্চলের ট্রেনগুলোর টিকিট বিক্রি বুধবার বেলা ২টা থেকে শুরু হবে।
রেলের পূর্বঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, ১৫ মার্চের যাত্রার টিকিট বিক্রি হবে ৫ মার্চ, ১৬ মার্চের টিকিট ৬ মার্চ, ১৭ মার্চের টিকিট ৭ মার্চ, ১৮ মার্চের টিকিট ৮ মার্চ এবং ১৯ মার্চের টিকিট ৯ মার্চ বিক্রি করা হবে।
ঈদ ঘনিয়ে আসায় রাজধানী থেকে বিভিন্ন জেলায় বাড়ি ফেরার প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন সাধারণ মানুষ। ফলে প্রতিদিনই টিকিট বিক্রির শুরুতে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে।
