
বাঘা প্রতিনিধি: মুসলিম স্থাপত্তের নিদর্শন সংরক্ষন করার লক্ষ্যে জাতীয় প্রত্নতত্ব বিভাগের উদ্যোগে রাজশাহীর বাঘায় ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় একটি আঞ্চলিক জাদুঘর । যা দেখে উজ্জিবিত হবে আজকের প্রজন্ম। কিন্তু বাস্তবে সেটি হচেছ না। এখানে জাদুঘর উদ্বোধন করার সময় যে পরিমান তৈজসপত্র সংরক্ষন করা হয়, আজ অবদি সেগুলোই রয়ে গেছে। কথা ছিলো, পুরনো স্থাপনা থেকে কিছু নিদর্শন এখানে আনা হবে। কিন্তু সেটা হয়নি। ফলে মানুষের উপস্থিতি দিন-দিন কমে আসছে। এতে করে জৌলুস হারাচ্ছে বাঘা জাদুঘর।
রয়েছে। তাঁর মতে, দেশ এখন মধ্যম আয় থেকে উন্নত আয়ের দিকে আগ্রসর হয়েছে। গ্রামের অনেকের ছেলে-মেয়েরা এখনো মেট্ট্রোরেল ,পদ্মাসেতু কিংবা কর্ণফুলি র্টানেল দেখেনি। চাইলে সেসব ছবিও রাখা যেতে পারে।
সার্বিক বিষয়ে বাংলাদেশ পত্নত্তত্ব বিভাগের সাবেক মহাপরিচালক ও বাঘার কৃতি সন্তান শফিকুল ইসলাম মুকুট বলেন,আমার প্রচেষ্টা ছিল এখানে মুসলিম স্থাপনা দিয়ে একটি জাদুঘর করবো। সেটি সার্থক হয়েছে। জাদুঘর এমন একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, যেখানে গবেষকরা আসেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের হাজার বছরের ইতিহাস, জাতিসত্ত্বা বিকাশের সুদীর্ঘ পথ-পরিক্রমা উদঘাটনে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন গুলো অনন্য ভূমিকা পালন করছে৷ এ গুলো রক্ষা ও সংরক্ষন করার দায়িত্ব সকলের। আমি এই জাদুঘরটি উদ্বোধনের সময় স্থানীয় লোকজনের কাছে এমনটি দাবি রেখেছিলাম, মুসলিম নির্দশন যদি কারো কাছে থাকে তবে তা জাদুঘরে জমা দেয়ার জন্য । প্রয়োজনে সেই নির্দশনের নিচে দাতার নাম উল্লেখ থাকবে। তবে এটি খুব বেশি ফলপ্রসু হয়নি। আমি অচিরে প্রত্নতত্ব বিভাগের সাথে কথা বলে উপকরণ বাড়ানোর চেষ্টা করবো। তিনি এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারও দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
