
নিজস্ব প্রতিবেদক:
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে
রাজশাহী মহানগর জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে নগরীর বাটার মোড়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী মহানগর জামায়াতের আমীর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ড. মাওলানা কেরামত আলী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মহানগরীর সেক্রেটারি ইমাজ উদ্দিন মন্ডল।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর ও রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুজিবুর রহমান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে দেশের মানুষ গণতন্ত্র, আইনের শাসন, ন্যায়বিচার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়। মহান মুক্তিযুদ্ধের মূল লক্ষ্য ছিল সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা।
তিনি বলেন, ক্ষুধা, দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও দুঃশাসনমুক্ত একটি দেশ গড়ার প্রত্যাশা নিয়ে লাখো মানুষ রক্ত দিয়েছে। কিন্তু স্বাধীনতার ৫৫ বছর পেরিয়ে গেলেও সঠিক নেতৃত্বের অভাবে সেই প্রত্যাশা আজও পূরণ হয়নি। দেশের মানুষের আশা বাস্তবায়নে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কাজ করে যাচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সভায় আরও বক্তব্য দেন রাজশাহী মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমীর অ্যাডভোকেট আবু মোহাম্মদ সেলিম, ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, সহকারী সেক্রেটারি মাহবুবুল আহসান বুলবুল, সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন সরকার, বাণিজ্য ও কল্যাণ সম্পাদক অধ্যাপক একে এম সারওয়ার জাহান প্রিন্স, অফিস সম্পাদক তৌহিদুর রহমান সুইট, তারবিয়াত সম্পাদক হাফেজ নুরুজ্জামান এবং যুব বিভাগের সেক্রেটারি সালাউদ্দিনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।
সভাপতির বক্তব্যে ড. মাওলানা কেরামত আলী বলেন, গত জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মাধ্যমে দেশ নতুন করে দ্বিতীয়বারের মতো স্বাধীনতা অর্জন করেছে। দীর্ঘ সাড়ে ১৫ বছরের দুঃশাসন থেকে মুক্ত হয়ে মানুষ এখন মুক্তভাবে কথা বলার সুযোগ পাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, একটি মহল বিদেশি শক্তির সহায়তায় এই গণআন্দোলনকে বিতর্কিত করার ষড়যন্ত্র করছে এবং পতিত স্বৈরাচারকে পুনর্বহালের চেষ্টা চালাচ্ছে। এ অবস্থায় দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ, সজাগ ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারকে আরও কঠোর হওয়ার আহ্বান জানান।
