
প্রথম সাফ নারী ফুটসাল প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ নারী ফুটবলের ইতিহাসে একটি নতুন মাইলফলক স্থাপন করেছে। দলটি টুর্নামেন্টে অসাধারণ ক্রীড়া দক্ষতা দেখিয়েছে এবং ধারাবাহিকভাবে শক্তিশালী বিরোধীদের বিরুদ্ধে ভালো পারফরমেন্স করেছে। তাদের এই সাফল্যে দেশের ক্রীড়া চেতনা আরও উজ্জীবিত হয়। বাংলাদেশ ফুটসালের এই অর্জন দেশের নারী ক্রীড়াবিদদের জন্য এক উৎসাহদায়ক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো আয়োজিত সাফ নারী ফুটসালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে, যেখানে তারা থাইল্যান্ডের ব্যাংককের ননথাবুরি হলে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচে মালদ্বীপকে ১৪-২ গোলে পরাজিত করে। এই জয় তাদের জন্য ইতিহাস তৈরি করে।
টুর্নামেন্টে দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশ অংশগ্রহণ করে এবং বাংলাদেশ লিগ পদ্ধতিতে মোট ১৬ পয়েন্ট সংগ্রহ করে শীর্ষে থেকে শিরোপা নিশ্চিত করে।
দ্বিতীয় স্থানে থাকা ভুটান পাঁচ ম্যাচে ১১ পয়েন্ট অর্জন করে। ফাইনাল ম্যাচে মালদ্বীপ প্রথমে এগিয়ে গেলেও বাংলাদেশ তার তৎপরতার মাধ্যমে দ্রুত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে।
সাবিনা খাতুন দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে হ্যাটট্রিক করেন, এছাড়া লিপি আক্তারও হ্যাটট্রিক পূরণ করেন। কৃষ্ণা রানী সরকার, নিলুফা আক্তার নীলা ও নৌশিন জাহানও গোল উৎসবে অবদান রাখেন।
বাংলাদেশ টুর্নামেন্ট শুরু করে ভারতের বিরুদ্ধে ৩-১ গোলের জয় দিয়ে এবং ভুটানের সঙ্গে ৩-৩ ড্র করে। তারা পরবর্তী ম্যাচগুলোতে নেপালকে ৩-০, শ্রীলঙ্কাকে ৬-২ এবং পাকিস্তানকে ৯-১ গোলে পরাজিত করে।
এই বিজয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল প্রথমবারের মতো সাফ উইমেন’স ফুটসালের শিরোপা নিজেদের করে নেয় অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হিসেবে।