
নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের বিভিন্ন সেবা গ্রহণের নির্ধারিত বিশেষ কাউন্টারগুলোতে ‘জুলাই যোদ্ধা’ অন্তর্ভুক্ত না থাকায় ভোগান্তির অভিযোগ উঠেছে। এতে সেবা নিতে গিয়ে বিভ্রান্তি ও অতিরিক্ত সময়ক্ষেপণের শিকার হচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, রামেক হাসপাতালের ১৭০ নম্বর কক্ষে রোগীদের বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফি জমা নেওয়া হয়। এছাড়াও এখানে ফ্রি ঔষধ বিতরণ, বিভিন্ন ওয়ার্ডের বেড সংক্রান্ত কার্যক্রম এবং রিপোর্ট সরবরাহের জন্য পৃথক কাউন্টার রয়েছে। এসব কাউন্টারে সাধারণ রোগীদের পাশাপাশি মুক্তিযোদ্ধা ও প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ সুবিধাসহ আলাদা সার্ভিস কাউন্টার চালু আছে।
তবে ‘জুলাই যোদ্ধা’দের জন্য কোনো পৃথক উল্লেখ বা নির্দেশনা না থাকায় তারা সেবা গ্রহণে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।
ভুক্তভোগী এক ব্যক্তি জানান, তিনি দুটি মেডিকেল পরীক্ষা করাতে এসে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নির্ধারিত কাউন্টারে লাইনে দাঁড়ান। প্রাথমিকভাবে তার টাকা গ্রহণ করা হলেও পরে দায়িত্বরত কর্মীরা আপত্তি জানান, কারণ ওই কাউন্টারে ‘জুলাই যোদ্ধা’দের জন্য কোনো অনুমোদন বা নির্দেশনা নেই। এতে তাকে অনাকাঙ্ক্ষিত বিড়ম্বনার মুখে পড়তে হয়।
এ বিষয়ে হাসপাতালের সংশ্লিষ্টরা জানান, নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী কাউন্টার পরিচালিত হয়। তালিকাভুক্ত শ্রেণির বাইরে কাউকে বিশেষ সুবিধা দিতে গেলে প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হতে পারে। তবে বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হলে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলেও জানান তারা।
এদিকে সেবা প্রত্যাশীদের দাবি, মুক্তিযোদ্ধা ও প্রতিবন্ধীদের মতো ‘জুলাই যোদ্ধা’দেরও বিশেষ ক্যাটাগরিতে অন্তর্ভুক্ত করে কাউন্টারে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হলে সেবা গ্রহণ সহজ হবে এবং অপ্রয়োজনীয় হয়রানি কমবে।
